TURNER IT SOLUTION

শনিবার ২৪ জুন ২০১৭ || সময়- ৯:৩০ pm

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include() [function.include]: Failed opening 'usbd/config/connect2.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: mysql_num_rows() expects parameter 1 to be resource, boolean given in /home/onn24/public_html/details.php on line 84

মেহেরপুরে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ৪জন নিহত। সহকারী পুলিশ সুপারসহ ৭ পুলিশ সদস্য আহত, অস্ত্র-বোমা উদ

  • মেহেরপুরে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ৪জন নিহত। সহকারী পুলিশ সুপারসহ ৭ পুলিশ সদস্য

    মেহেরপুরে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ৪জন নিহত। সহকারী পুলিশ সুপারসহ ৭ পুলিশ সদস্য আহত, অস্ত্র-বোমা উদ

মেহেরপুর সদর উপজেলার নুরপুর গ্রামের মাঠে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ৪জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো-সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের ভাদু শেখের ছেলে সাদ্দাম আলী (২৬),বনমালী কর্মকারের ছেলে রমেশ কর্মকার (২৫),পিরোজপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে কানন-(২৬) ও টুঙ্গি গোপালপুর গ্রামের জালাল উদ্দীনের ছেলে সোহাগ হোসেন (২৭)। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের ৭জন সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশ দাবী করে। আহতরা মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সোমবার (১৩/০৩/১৭ ইং) দিবাগত রাত আড়াইটার সময় নুরপুর গ্রামের মাঠে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ৪জন নিহত হয়। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মঙ্গলবার (১৪/০৩/১৭ ইং) সাড়ে ১১টার সময় পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যেই পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন,গত ৫ মার্চ রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম ও আব্দুল মজিদকে গ্রামের একটি চায়ের দোকান থেকে জনসম্মুখে তুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ওই রাতে সন্ত্রাসীরা আসাদুল ও আব্দুল মজিদের কাছ থেকে কেঁড়ে নেয়া মোবাইল থেকে তাদেরই পরিবারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে রাতেই গ্রামের মাঠে আসাদুল ইসলাম ও আব্দুল মজিদকে গলাকেট হত্যা করা হয়। পরের দিন দুপুরে গ্রামের কৃষকরা একটি তামাক ক্ষেতে আসাদুল ও মজিদ-এর গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ওইদিনই মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ওই হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাদ্দাম আলী,রমেশ কর্মকার, কানন ও সোহাগ হোসেন নামের ৪জন আটক করে। আটকের পর তারা খুনের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার ও তাদের সহযোগীদের নাম প্রকাশ এবং অস্ত্র ভন্ডারের সন্ধান দেয়। তাদের সাথে নিয়ে পুলিশ সহযোগি সন্ত্রাসীদের আটক ও অস্ত্র উদ্ধার করতে সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার সময় নুরপুর গ্রামের দিকে রওনা হয়। ৪ সন্ত্রাসীকে নিয়ে মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের একটিদল নুরপুর গ্রামের মাঠে পৌঁছালে,একটি লিচু বাগানের মধ্যে ওৎ পেতে থাকা সহযোগি সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। প্রাণরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়তে থাকে। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে বন্দুকযুদ্ধ হয়। এ সময় অন্যান্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে সাদ্দাম আলী ,রমেশ কর্মকার,কানন ও সোহাগ হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের ৭জন সদস্য আহত হয়। আহতরা মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া ১টি রিভলবার,১টি কাটা রাইফেল, ৪ রাউন্ড গুলি,১১ টি তাজা হাত বোমা, ২ টি দেশীয় তৈরী রামদা ও ২টি দেশীয় তৈরী ছুরি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান আরো বলেন, বন্ধুকযুদ্ধে নিহতরা ছিল,জোড়া খুনের মামলার অন্যতম আসামী। তাদের নামে থানায় হত্যা,ডাকাতি,ছিনতাই,বোমাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের সহযোগীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এদিকে চার সন্ত্রাসীর লাশ মঙ্গলবার মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে তাদের নিজ-নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায় চার সন্ত্রাসী মারা যাওয়ার খবর পেয়ে সোনাপুরসহ পার্শ্ববর্তি এলাকার মানুষ স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলেছে। মেহেরপুর সদর উপজেলার নুরপুর গ্রামের মাঠে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ৪জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো-সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের ভাদু শেখের ছেলে সাদ্দাম আলী (২৬),বনমালী কর্মকারের ছেলে রমেশ কর্মকার (২৫),পিরোজপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে কানন-(২৬) ও টুঙ্গি গোপালপুর গ্রামের জালাল উদ্দীনের ছেলে সোহাগ হোসেন (২৭)। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের ৭জন সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশ দাবী করে। আহতরা মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সোমবার (১৩/০৩/১৭ ইং) দিবাগত রাত আড়াইটার সময় নুরপুর গ্রামের মাঠে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ৪জন নিহত হয়। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মঙ্গলবার (১৪/০৩/১৭ ইং) সাড়ে ১১টার সময় পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যেই পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন,গত ৫ মার্চ রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম ও আব্দুল মজিদকে গ্রামের একটি চায়ের দোকান থেকে জনসম্মুখে তুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ওই রাতে সন্ত্রাসীরা আসাদুল ও আব্দুল মজিদের কাছ থেকে কেঁড়ে নেয়া মোবাইল থেকে তাদেরই পরিবারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে রাতেই গ্রামের মাঠে আসাদুল ইসলাম ও আব্দুল মজিদকে গলাকেট হত্যা করা হয়। পরের দিন দুপুরে গ্রামের কৃষকরা একটি তামাক ক্ষেতে আসাদুল ও মজিদ-এর গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ওইদিনই মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ওই হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাদ্দাম আলী,রমেশ কর্মকার, কানন ও সোহাগ হোসেন নামের ৪জন আটক করে। আটকের পর তারা খুনের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার ও তাদের সহযোগীদের নাম প্রকাশ এবং অস্ত্র ভন্ডারের সন্ধান দেয়। তাদের সাথে নিয়ে পুলিশ সহযোগি সন্ত্রাসীদের আটক ও অস্ত্র উদ্ধার করতে সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার সময় নুরপুর গ্রামের দিকে রওনা হয়। ৪ সন্ত্রাসীকে নিয়ে মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের একটিদল নুরপুর গ্রামের মাঠে পৌঁছালে,একটি লিচু বাগানের মধ্যে ওৎ পেতে থাকা সহযোগি সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। প্রাণরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়তে থাকে। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে বন্দুকযুদ্ধ হয়। এ সময় অন্যান্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে সাদ্দাম আলী ,রমেশ কর্মকার,কানন ও সোহাগ হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের ৭জন সদস্য আহত হয়। আহতরা মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া ১টি রিভলবার,১টি কাটা রাইফেল, ৪ রাউন্ড গুলি,১১ টি তাজা হাত বোমা, ২ টি দেশীয় তৈরী রামদা ও ২টি দেশীয় তৈরী ছুরি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান আরো বলেন, বন্ধুকযুদ্ধে নিহতরা ছিল,জোড়া খুনের মামলার অন্যতম আসামী। তাদের নামে থানায় হত্যা,ডাকাতি,ছিনতাই,বোমাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের সহযোগীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এদিকে চার সন্ত্রাসীর লাশ মঙ্গলবার মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে তাদের নিজ-নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায় চার সন্ত্রাসী মারা যাওয়ার খবর পেয়ে সোনাপুরসহ পার্শ্ববর্তি এলাকার মানুষ স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলেছে। মো:সাইফুল ইসলাম (শিমুল) মেহেরপুর প্রতিনিধি

ONN TV
payoneer
নিউজ আর্কাইভ
সর্বাধিক পঠিত
সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ ব্যাপী ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: সখিপুর ইউনিয়নের সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী ক্রীড়া, কুইজ, রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বে-সরকারি প্রতিষ্ঠা

জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ
জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে গনসংযোগ করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী সোনিয়া পারভীন শাপলা। সোমবার

দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নবগত নির্বাহী অফিসারের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়
 শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা নবগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দরা। সোমবার দুপুরে নির

দেবহাটায় ছাত্রলীগের ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট
৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট

মীর খায়রুল আলম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ছাত্রলীগের উদ্যেগে ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার গোপাখালি মাঠে দে

দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন
দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন

মীর খায়রুল আলম:: দেবহাটা উপজেলাকে মডেল করতে ছুটির দিনে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। শুক্রবা

শিরোনাম